ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪ পবিপ্রবিতে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দুমকি পীরতলা বাজার থেকে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ দুমকীতে ইউপি সদস্য আটকের ঘটনায় নতুন মোড়, আয়েশার স্বজনদেরও মানববন্ধন পবিপ্রবি প্রো-ভিসির নেতৃত্বে কুয়াকাটায় ওশানোগ্রাফি অনুষদের ভূমি পরিদর্শন ‎ ‎ দুমকীতে মাহিন্দ্রা চালককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ ‎আংগারিয়া ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে খোকন মৃধা’র মতবিনিময় সভা

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাস গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ৯০ Time View

‎সৈয়দ নুর আহসান

‎মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদারকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে তাকে মাদারীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় রাজৈর থানা পুলিশ, র্যা ব-৮-এর সিপিসি-৩-এর তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তা এবং র্যা ব-১০-এর যৌথ অভিযানে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে জুলহাস সরদারকে গ্রেফতার করা হয়।

‎তিনি রাজৈর উপজেলার সত্যবর্তী গ্রামের মৃত মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ১৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলহাস সরদার ও তার সহযোগীরা রাজৈর উপজেলার ১৫ থেকে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মানুষকে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে ভুক্তভোগীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে সেই নির্যাতনের ভিডিও তাদের পরিবারের কাছে পাঠানো হতো। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

‎এ ঘটনায় গত ১২ জুন রাজৈর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

‎রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাস গ্রেপ্তার

Update Time : ১০:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

‎সৈয়দ নুর আহসান

‎মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, লিবিয়ায় আটকে রেখে নির্যাতন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদারকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে তাকে মাদারীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় রাজৈর থানা পুলিশ, র্যা ব-৮-এর সিপিসি-৩-এর তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তা এবং র্যা ব-১০-এর যৌথ অভিযানে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে জুলহাস সরদারকে গ্রেফতার করা হয়।

‎তিনি রাজৈর উপজেলার সত্যবর্তী গ্রামের মৃত মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ১৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলহাস সরদার ও তার সহযোগীরা রাজৈর উপজেলার ১৫ থেকে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মানুষকে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে ভুক্তভোগীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে সেই নির্যাতনের ভিডিও তাদের পরিবারের কাছে পাঠানো হতো। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

‎এ ঘটনায় গত ১২ জুন রাজৈর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

‎রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানান, মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

প্রিন্ট করুন :