ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

পটুয়াখালীি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।

পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।এরপর এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “আজ আমাদের জাতীয় জীবনের এক শোকাবহ দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুক্ত হয় এক নির্মম ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রাক্কালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।” তিনি বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র। শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার কৃতি মানুষদের হত্যার মাধ্যমে স্বাধীন দেশকে পঙ্গু করার অপচেষ্টা চালানো হয়।”

তিনি আরও বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের জাতির বিবেক ও আলোর পথপ্রদর্শক। তাদের আত্মত্যাগ স্মরণ মানে তাদের আদর্শ ও দেশপ্রেমকে ধারণ করা। তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ন্যায়, মানবিকতা ও জ্ঞানচর্চাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।”অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিয়া পরিষদ পবিপ্রবি ইউনিট সভাপতি মো: আবুবকর সিদ্দিক।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় জোহরের নামাজ বাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মো. আব্দুল কুদ্দুছ। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

Update Time : ০৫:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সাউথ বাংলা ডেস্ক ||

পটুয়াখালীি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।

পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।এরপর এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “আজ আমাদের জাতীয় জীবনের এক শোকাবহ দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুক্ত হয় এক নির্মম ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রাক্কালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।” তিনি বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্র। শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার কৃতি মানুষদের হত্যার মাধ্যমে স্বাধীন দেশকে পঙ্গু করার অপচেষ্টা চালানো হয়।”

তিনি আরও বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের জাতির বিবেক ও আলোর পথপ্রদর্শক। তাদের আত্মত্যাগ স্মরণ মানে তাদের আদর্শ ও দেশপ্রেমকে ধারণ করা। তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব হলো সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ন্যায়, মানবিকতা ও জ্ঞানচর্চাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।”অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জিয়া পরিষদ পবিপ্রবি ইউনিট সভাপতি মো: আবুবকর সিদ্দিক।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় জোহরের নামাজ বাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মো. আব্দুল কুদ্দুছ। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রিন্ট করুন :