ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

‎বিএস রেকর্ড নিয়ে বিরোধ, দুমকীতে নারীর ঘর ভাঙচুরে লুটপাটের অভিযোগ

বিবাদমান জমিতে ফাতেমা বেগমের ঘর ভেঙে নতুন ঘর তুলেছেন ইউনুস শিকদার। ছবি-সাউথ বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছেন পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোসাঃ ফাতেমা বেগমের (৫০)। প্রাণনাশের আশঙ্কা জানিয়ে তিনি রোববার দুমকি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুরাদিয়া সাকিনের জে.এল. নং–২৭, এসএ রেকর্ডীয় খতিয়ান নং–৮৫৫, দাগ নং–৩০২৭-এর মোট ৩২ শতক জমির মূল মালিক ছিলেন দুই ভাই—স্থানীয় বিশ্বেসর দাস ও নলিত দাস। পরবর্তীতে বিএস খতিয়ান নং–৮১৪-এর দাগ নং–৩০১৩-এ ১৭ শতক ও দাগ নং–৩০১৯-এ ১৫ শতক জমির মালিক হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হন যথাক্রমে বিশ্বেসর দাসের ছেলে রমেশ চন্দ্র দাস ও নলিত দাস। ‎এর মধ্যে রমেশ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে ৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন ফাতেমা বেগম এবং নলিত দাসের জমি ক্রয় করেন ইউনুস শিকদার।
‎
‎এদিকে বিএস জরিপে মালিকানা সংক্রান্ত তথ্যে ভুলের অভিযোগ তুলে স্থানীয় ইউনুস সিকদার একটি রেকর্ড–সংশোধন (রেকর্ডস্যূট) মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
‎
‎অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি নিজের ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে বিবাদীরা ফাতেমা বেগমকে ঘর ভেঙে নিতে চাপ দেন। সোমবার সকাল ১১টার দিকে ইউনুস সিকদারের ছেলে ও তার নেতৃত্বে কয়েকজন ভাড়াটে লোক হামলা চালিয়ে ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। বাধা দিতে গেলে ফাতেমা বেগমকে মারধর করে আহত করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।
‎
‎ফাতেমা বেগম বলেন, ‘বিবাদীরা এর আগেও ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এখন তারা আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’
‎
‎তবে হামলা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনুস সিকদার সাউথ বাংলাকে বলেন, ‘গত শুক্রবার সকালে থানার গোলঘরে আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে রোয়েদাদ প্রায় শেষের পথে ছিল। এমন সময় সালিশ বাবুল মাস্টার ও ফতু কিছু না বলেই চলে আসেন। বাকিরা আমাকে রোয়েদাদ করে দেন।’
‎
‎তিনি আরও দাবি করেন, ‘কে জানি রাতের আঁধারে আমার জমিতে ঝুপড়ি ঘর তুলেছিল, আবার কারা জানি সেটা ভেঙে নিয়ে গেছে।’
‎
‎দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

‎বিএস রেকর্ড নিয়ে বিরোধ, দুমকীতে নারীর ঘর ভাঙচুরে লুটপাটের অভিযোগ

Update Time : ০৪:২২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
বিবাদমান জমিতে ফাতেমা বেগমের ঘর ভেঙে নতুন ঘর তুলেছেন ইউনুস শিকদার। ছবি-সাউথ বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছেন পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোসাঃ ফাতেমা বেগমের (৫০)। প্রাণনাশের আশঙ্কা জানিয়ে তিনি রোববার দুমকি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুরাদিয়া সাকিনের জে.এল. নং–২৭, এসএ রেকর্ডীয় খতিয়ান নং–৮৫৫, দাগ নং–৩০২৭-এর মোট ৩২ শতক জমির মূল মালিক ছিলেন দুই ভাই—স্থানীয় বিশ্বেসর দাস ও নলিত দাস। পরবর্তীতে বিএস খতিয়ান নং–৮১৪-এর দাগ নং–৩০১৩-এ ১৭ শতক ও দাগ নং–৩০১৯-এ ১৫ শতক জমির মালিক হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হন যথাক্রমে বিশ্বেসর দাসের ছেলে রমেশ চন্দ্র দাস ও নলিত দাস। ‎এর মধ্যে রমেশ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে ৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন ফাতেমা বেগম এবং নলিত দাসের জমি ক্রয় করেন ইউনুস শিকদার।
‎
‎এদিকে বিএস জরিপে মালিকানা সংক্রান্ত তথ্যে ভুলের অভিযোগ তুলে স্থানীয় ইউনুস সিকদার একটি রেকর্ড–সংশোধন (রেকর্ডস্যূট) মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
‎
‎অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি নিজের ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করলে বিবাদীরা ফাতেমা বেগমকে ঘর ভেঙে নিতে চাপ দেন। সোমবার সকাল ১১টার দিকে ইউনুস সিকদারের ছেলে ও তার নেতৃত্বে কয়েকজন ভাড়াটে লোক হামলা চালিয়ে ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। বাধা দিতে গেলে ফাতেমা বেগমকে মারধর করে আহত করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।
‎
‎ফাতেমা বেগম বলেন, ‘বিবাদীরা এর আগেও ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এখন তারা আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’
‎
‎তবে হামলা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনুস সিকদার সাউথ বাংলাকে বলেন, ‘গত শুক্রবার সকালে থানার গোলঘরে আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে রোয়েদাদ প্রায় শেষের পথে ছিল। এমন সময় সালিশ বাবুল মাস্টার ও ফতু কিছু না বলেই চলে আসেন। বাকিরা আমাকে রোয়েদাদ করে দেন।’
‎
‎তিনি আরও দাবি করেন, ‘কে জানি রাতের আঁধারে আমার জমিতে ঝুপড়ি ঘর তুলেছিল, আবার কারা জানি সেটা ভেঙে নিয়ে গেছে।’
‎
‎দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রিন্ট করুন :