নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা||
সকালটা ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে নাশতা করলেন। কথোপকথনেও তেমন কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি কারও চোখে। কিন্তু তার ঠিক ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই বদলে গেল পুরো দৃশ্যপট।
ভোলার লালমোহনের কাদের বকসি বাড়ি তখন থমথমে। ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সেই বাড়ির একটি ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মোসা. উম্মে হাবিবার নিথর দেহ। বয়স মাত্র কয়েক বছর সংসারের। স্বামী মো. শাকিল, তখন বাড়ির বাইরে।
স্থানীয়রা জানালেন অন্য কথা।
খাবার শেষে স্বামী বেরিয়ে যাওয়ার পর, হাবিবার সঙ্গে শাশুড়ির কথাকাটাকাটি হয় পারিবারিক কিছু বিষয় নিয়ে। এরপরই ঘর বন্ধ। জানালা-দরজায় টোকা, সাড়া নেই। ভেতরে উঁকি দিতেই দেখা যায়—আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন হাবিবা।
শুরু হয় কান্না-চিৎকার। ছুটে আসে প্রতিবেশী, খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
লালমোহন থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এখনো মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাচ্ছে না। তবে সব দিক বিবেচনায় রেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে।”
এই মৃত্যু আত্মহত্যা, না কি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনও গল্প—সে প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 
























