ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ফেনীতে দুই দিনের অবস্থান কর্মসূচি

ফেনী প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ফেনীতে টানা দুই দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্র ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (৯ মে) ও শনিবার (১০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনকারীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন: আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলীয় বিচারের বিধান সংযোজন, এবং ‘জুলাই বিপ্লব’ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ। তারা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’সহ বিভিন্ন স্লোগানে কর্মসূচি চালিয়ে যান।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে গুলিতে নিহতদের হত্যার বিচার হয়নি। বক্তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ দমন-পীড়নের মাধ্যমে দেশে একচেটিয়া শাসন কায়েম করেছে এবং ৫ আগস্টের ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, “আমরা জানতে চাই, আওয়ামী লীগ কিভাবে এখনো ফেনীর মাটিতে মিছিল করার সাহস পায়? খুনিদের বিচার করতে হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি আবদুল আজিজ বলেন, “আওয়ামী লীগের বিচার এবং নিষিদ্ধ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। শাহবাগের অবস্থানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশেই ফেনীর কর্মসূচি।”

ওসমান গনি রাসেল নামে আরেক সংগঠক বলেন, “গত বছরের ৪ আগস্ট এখানেই আমাদের ১২ জন ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। সেই ঘটনার ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক প্রতিরোধই আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।”

এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা শাখা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ফেনীতে দুই দিনের অবস্থান কর্মসূচি

Update Time : ০৯:৪২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

ফেনী প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ফেনীতে টানা দুই দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্র ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (৯ মে) ও শনিবার (১০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনকারীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন: আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলীয় বিচারের বিধান সংযোজন, এবং ‘জুলাই বিপ্লব’ বিষয়ে একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ। তারা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গোলামি না আজাদী, আজাদী আজাদী’সহ বিভিন্ন স্লোগানে কর্মসূচি চালিয়ে যান।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে গুলিতে নিহতদের হত্যার বিচার হয়নি। বক্তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ দমন-পীড়নের মাধ্যমে দেশে একচেটিয়া শাসন কায়েম করেছে এবং ৫ আগস্টের ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, “আমরা জানতে চাই, আওয়ামী লীগ কিভাবে এখনো ফেনীর মাটিতে মিছিল করার সাহস পায়? খুনিদের বিচার করতে হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি আবদুল আজিজ বলেন, “আওয়ামী লীগের বিচার এবং নিষিদ্ধ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। শাহবাগের অবস্থানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশেই ফেনীর কর্মসূচি।”

ওসমান গনি রাসেল নামে আরেক সংগঠক বলেন, “গত বছরের ৪ আগস্ট এখানেই আমাদের ১২ জন ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। সেই ঘটনার ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক প্রতিরোধই আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।”

এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা শাখা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

প্রিন্ট করুন :