ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে সালিশের কথা বলে ডেকে নিয়ে মেয়ের জামাই ও তার বাবাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত জামাই মো. সুমন ও তার বাবা রত্তন মাঝি জানান, সোমবার (৫ মে) বিকেলে মেয়ের শ্বশুর মো. দেলোয়ারের বাড়িতে সালিশের কথা বলে ডেকে নেওয়া হয়। সুমনের দাবি, শ্বশুর তার কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নিয়ে জমি না দিয়ে কিংবা টাকা ফেরত না দিয়ে তালবাহানা করছিলেন। বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে সুমন, তার বাবা ও ভাই মিলে শ্বশুরবাড়ির নিকটবর্তী বাড়িতে যান।
সুমন বলেন, ‘‘আমরা সালিশ করতে যাই, সেখানে কথা কাটাকাটি শুরু হলে আমরা চলে আসতে চাই। তখন শ্বশুর দেলোয়ার, শাশুড়ি, স্ত্রী, শালা ও অন্যরা আমাদের এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। আমাদের জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।’’
সুমনের বাবা রত্তন মাঝিও মারধরের অভিযোগ করে বলেন, ‘‘বিষয়টি মীমাংসা করতে গিয়ে উল্টো আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। আমরা তিনজনই আহত হই।’’
ঘটনার সময় উপস্থিত শালিশকার মো. নবী মেম্বার বলেন, “জামাইয়ের সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে, তবে বাবার গায়ে কেউ হাত তোলেনি।”
অভিযুক্ত দেলোয়ার মোল্লার বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সম্ভব হয়নি।
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার জানান, “বিষয়টি লিখিতভাবে অভিযোগ হিসেবে পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সাউথ বাংলা ডেস্ক 




















