নিরিবিলি পায়রা সেতুর পাশের পথ ধরে যখন সন্ধ্যার ছায়া নামছিল, তখনও কেউ টের পায়নি—আসন্ন রাত কাদের জীবনে ঝড় বয়ে আনবে। পটুয়াখালীর দুমকিতে এপ্রিলজুড়ে এমনই একের পর এক অভিযানে মাদকচক্রের ছয় সদস্য ধরা পড়েছেন থানা পুলিশের জালে। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২৫ গ্রাম গাঁজা, ১০ পিস ইয়াবা ও ১৯ পুড়িয়া হেরোইন।
১২ এপ্রিল রাত—পায়রা সেতুর টোল প্লাজার আশপাশে সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি করছিল তিন যুবক। পুলিশ তাদের তল্লাশি চালিয়ে পায় ২৫ গ্রাম গাঁজা। আটক হন বরিশালের নলছিটি উপজেলার মো. অনিক, সদর থানার মো. রাহাত দিপু এবং মো. জিসান।
এর ঠিক একদিন পর, ১৩ এপ্রিল। আবারও একই এলাকা, চেকপোস্টে ধরা পড়ে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে আমতলী উপজেলার চালিতাবুনিয়ার সবুজ গাজী। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১০ পিস ইয়াবা।
পরের ঘটনা ১৭ এপ্রিল। থানা পুলিশের আরেকটি সফল অভিযান। রাতের আঁধারে চেকপোস্টে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কালিকাপুরের দুই যুবক—আমিনুল ইসলাম তানিম ও রায়হান ধরা পড়েন ১৯ পুড়িয়া হেরোইনসহ।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, “মাদক নির্মূলে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।”
দুমকি থানার টানা অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ স্বস্তি যেন স্থায়ী হয়, সে জন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও সহযোগী হতে হবে।
সাউথ বাংলা ডেস্ক 
























