ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

বরগুনায় পুকুরে জ্যান্ত ইলিশ

পুকুরে জাল টানতেই পাওয়া গেলো ইলিশ মাছ। শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ১ নং রায়হানপুর ইউনিয়নের একটি দিঘিতে। জালে ধরা পড়েছে  ৯৫ টি জ্যান্ত ইলিশ।

রায়হানপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ির দিঘিতে, জ্যান্ত ইলিশ পাওয়ার এমন খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।

এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ৭৫ শতাংশ জুড়ে এই পুকুর বা দিঘিতে প্রতি বছরই মাছ ধরা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দিঘিতে থাকা বড় বড় বোয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা শুরু করলে, বিভিন্ন মাছের সাথে জালে উঠতে থাকে একের পর এক ইলিশ মাছ,

সব মিলিয়ে ৯৫ টি জ্যান্ত ইলিশ ধরতে সক্ষম হয়, পরে বংশের সকলের মাঝে এই  ইলিশ মাছগুলো ভাগাভাগি করে বন্টন করা হয়।

 

এলাকাবাসীরা আরো জানান যে, ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ি যার নামে পরিচিত সেই সিদাম মিয়া আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন’শ বছর পূর্বে যে সিদাম মিয়া ছিলো, তার ৬/৭ পুরুষ পরে আজও সেই সিদাম মিয়া বাড়ি নামেই পরিচিত,

সিদাম মিয়ার বংশে বর্তমানে যারা জীবিত আছেন তাদের সকলেরই এই পারিবারিক পুকুর বা দিঘি। এই পুকুর বা দিঘিতে অন্যান্য মাছের সাথে ইলিশ মাছ পাওয়ার আনন্দে সবাই উৎফুল্ল।

৬৫ বছর বয়সী মো. আলম চৌধুরী বলেন, পুকুরে ইলিশ পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে, যারা মাছ ধরেছে আমরা তাদেরকে অর্ধেক ইলিশ মাছ দিয়েছি এবং অবশিষ্ট মাছগুলো আমাদের বংশের সকলের মাঝে সমান সমান ভাগ করে নিয়েছি, তাতে প্রত্যেক পরিবারে ২ টি করে ইলিশ মাছ পেয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, “জোয়ারের পানির সঙ্গে নালা দিয়ে পুকুরে ইলিশ আসতে পারে। পুকুরের পানি যদি নোনা হয় এবং নদীর মতো খাবার পায় তাহলে ইলিশ বাঁচানো সম্ভব।”

এ বিষয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিভাগের গবেষক ড. লোকমান হোসেন বলেন, “এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে পুকুরে ইলিশ চাষ করা শুরু হয়নি। তবে, গবেষণা চলছে। আশা করছি শিগগিরই এ নিয়ে সুখবর পাওয়া যাবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

বরগুনায় পুকুরে জ্যান্ত ইলিশ

Update Time : ০১:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

পুকুরে জাল টানতেই পাওয়া গেলো ইলিশ মাছ। শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ১ নং রায়হানপুর ইউনিয়নের একটি দিঘিতে। জালে ধরা পড়েছে  ৯৫ টি জ্যান্ত ইলিশ।

রায়হানপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ির দিঘিতে, জ্যান্ত ইলিশ পাওয়ার এমন খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।

এলাকাবাসী জানায়, প্রায় ৭৫ শতাংশ জুড়ে এই পুকুর বা দিঘিতে প্রতি বছরই মাছ ধরা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দিঘিতে থাকা বড় বড় বোয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা শুরু করলে, বিভিন্ন মাছের সাথে জালে উঠতে থাকে একের পর এক ইলিশ মাছ,

সব মিলিয়ে ৯৫ টি জ্যান্ত ইলিশ ধরতে সক্ষম হয়, পরে বংশের সকলের মাঝে এই  ইলিশ মাছগুলো ভাগাভাগি করে বন্টন করা হয়।

 

এলাকাবাসীরা আরো জানান যে, ঐতিহ্যবাহী সিদাম মিয়া বাড়ি যার নামে পরিচিত সেই সিদাম মিয়া আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন’শ বছর পূর্বে যে সিদাম মিয়া ছিলো, তার ৬/৭ পুরুষ পরে আজও সেই সিদাম মিয়া বাড়ি নামেই পরিচিত,

সিদাম মিয়ার বংশে বর্তমানে যারা জীবিত আছেন তাদের সকলেরই এই পারিবারিক পুকুর বা দিঘি। এই পুকুর বা দিঘিতে অন্যান্য মাছের সাথে ইলিশ মাছ পাওয়ার আনন্দে সবাই উৎফুল্ল।

৬৫ বছর বয়সী মো. আলম চৌধুরী বলেন, পুকুরে ইলিশ পেয়ে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে, যারা মাছ ধরেছে আমরা তাদেরকে অর্ধেক ইলিশ মাছ দিয়েছি এবং অবশিষ্ট মাছগুলো আমাদের বংশের সকলের মাঝে সমান সমান ভাগ করে নিয়েছি, তাতে প্রত্যেক পরিবারে ২ টি করে ইলিশ মাছ পেয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, “জোয়ারের পানির সঙ্গে নালা দিয়ে পুকুরে ইলিশ আসতে পারে। পুকুরের পানি যদি নোনা হয় এবং নদীর মতো খাবার পায় তাহলে ইলিশ বাঁচানো সম্ভব।”

এ বিষয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিভাগের গবেষক ড. লোকমান হোসেন বলেন, “এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে পুকুরে ইলিশ চাষ করা শুরু হয়নি। তবে, গবেষণা চলছে। আশা করছি শিগগিরই এ নিয়ে সুখবর পাওয়া যাবে।”

প্রিন্ট করুন :