ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

বাহুবলে এসআই মোর্শেদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ, উঠছে নানা প্রশ্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭৪ Time View

 

‎হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার এসআই মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, অনৈতিক আচরণ ও মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ ব্যাপারে রাহিমা আক্তার নামের এক নারী হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎উক্ত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আবেদনকারীর সাথে তার শ্বশুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তার শ্বশুর ছানা মিয়ার পারিবারিক ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। রাহিমা আক্তার সৌদি আরবে প্রবাসে থেকে প্রায় দুই বছরের কষ্টার্জিত উপার্জনের সম্পূর্ণ অর্থ স্বামী ও শ্বশুরের নিকট প্রদান করেন। তারা তাকে আশ্বাস দিয়েছিল ১০ শতাংশ বাড়ির জমি তাকে রেজিস্ট্রি করে দিবেন। কিন্তু দেশে ফিরে রাহিমা দেখতে পান, তারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।

‎ এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে রাহিমা বাধ্য হয়ে প্রায় ৩ বছর ধরে আমার বাবার বাড়িতে আমি অবস্থান করছেন। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান এবং এলাকার অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সবাই অবগত আছেন। এমনকি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
‎এক পর্যায়ে তার শ্বশুর ছানা মিয়া গত গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখিত ঘটনার তারিখ চ্যালেঞ্জ করে রাহিমা দাবি করেন ২৫/০৮/২০২৫ ইং, অর্থাৎ কথিত ঘটনার প্রায় চার মাস পর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
‎
‎ অভিযোগে আরও বলা হয়, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য বাহুবল মডেল থানাকে নির্দেশ দিলে এসআই মোরশেদ আলম তার নিকট তদন্ত প্রতিবেদনে সত্য তুলে ধরার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনাকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মোর্শেদ আলম।
‎
‎এমতাবস্থায়, এসআই মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ ও বিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ ও অভিযোগে বর্ণিত ঘুষ গ্রহণ, ঘুষ দাবি এবং পক্ষপাতমূলক তদন্তের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ

সুপারের নিকট আবেদন জানিয়েছেন ওই নারী।
‎এর অনুলিপি মহাপরিদর্শক অব পুলিশ (আইজিপি), উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সিলেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), হবিগঞ্জকে প্রদান করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

বাহুবলে এসআই মোর্শেদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ, উঠছে নানা প্রশ্ন

Update Time : ০৭:২৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

 

‎হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার এসআই মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, অনৈতিক আচরণ ও মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ ব্যাপারে রাহিমা আক্তার নামের এক নারী হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

‎উক্ত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আবেদনকারীর সাথে তার শ্বশুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের তার শ্বশুর ছানা মিয়ার পারিবারিক ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। রাহিমা আক্তার সৌদি আরবে প্রবাসে থেকে প্রায় দুই বছরের কষ্টার্জিত উপার্জনের সম্পূর্ণ অর্থ স্বামী ও শ্বশুরের নিকট প্রদান করেন। তারা তাকে আশ্বাস দিয়েছিল ১০ শতাংশ বাড়ির জমি তাকে রেজিস্ট্রি করে দিবেন। কিন্তু দেশে ফিরে রাহিমা দেখতে পান, তারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।

‎ এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে রাহিমা বাধ্য হয়ে প্রায় ৩ বছর ধরে আমার বাবার বাড়িতে আমি অবস্থান করছেন। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান এবং এলাকার অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সবাই অবগত আছেন। এমনকি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
‎এক পর্যায়ে তার শ্বশুর ছানা মিয়া গত গত বছরের ৮ ডিসেম্বর আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখিত ঘটনার তারিখ চ্যালেঞ্জ করে রাহিমা দাবি করেন ২৫/০৮/২০২৫ ইং, অর্থাৎ কথিত ঘটনার প্রায় চার মাস পর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
‎
‎ অভিযোগে আরও বলা হয়, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য বাহুবল মডেল থানাকে নির্দেশ দিলে এসআই মোরশেদ আলম তার নিকট তদন্ত প্রতিবেদনে সত্য তুলে ধরার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনাকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মোর্শেদ আলম।
‎
‎এমতাবস্থায়, এসআই মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ ও বিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ ও অভিযোগে বর্ণিত ঘুষ গ্রহণ, ঘুষ দাবি এবং পক্ষপাতমূলক তদন্তের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ

সুপারের নিকট আবেদন জানিয়েছেন ওই নারী।
‎এর অনুলিপি মহাপরিদর্শক অব পুলিশ (আইজিপি), উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সিলেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), হবিগঞ্জকে প্রদান করা হয়।

প্রিন্ট করুন :