ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

আ’লীগ সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি গায়েবী মামলা হয়েছে-আইনমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯৫ Time View

শেখ রায়হান হোসেন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা ও ‘গায়েবি’ মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর দাবি, এসব মামলার প্রায় ৯৯ শতাংশের বাদী ছিল পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিনা বিচারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। তাঁর দাবি, সাড়ে চার হাজারের বেশি বিএনপি নেতা-কর্মীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা এবং সাত শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। একই সময়ে জামায়াতের অসংখ্য নেতা-কর্মীও গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার ৯৯ শতাংশেরই বাদী ছিল পুলিশ। এখন আপনারা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। পুলিশ বাদী হয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মামলা করছে না। মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিচার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, অতীতে যারা নিষ্ঠুরতার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার করতে ব্যর্থ হলে তা কাপুরুষতা ও ভীরুতার পরিচয় হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরোও বলেন, ‘আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।

মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে  জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভায় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি প্রতিরোধে শুধু জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার কিংবা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মাদক প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বাগেরহাটে মাদক প্রতিরোধে মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে মাদক নির্মূল ও প্রতিরোধে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

আ’লীগ সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি গায়েবী মামলা হয়েছে-আইনমন্ত্রী

Update Time : ০৮:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ রায়হান হোসেন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা ও ‘গায়েবি’ মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর দাবি, এসব মামলার প্রায় ৯৯ শতাংশের বাদী ছিল পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে বিনা বিচারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। তাঁর দাবি, সাড়ে চার হাজারের বেশি বিএনপি নেতা-কর্মীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা এবং সাত শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। একই সময়ে জামায়াতের অসংখ্য নেতা-কর্মীও গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার ৯৯ শতাংশেরই বাদী ছিল পুলিশ। এখন আপনারা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। পুলিশ বাদী হয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মামলা করছে না। মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিচার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, অতীতে যারা নিষ্ঠুরতার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার করতে ব্যর্থ হলে তা কাপুরুষতা ও ভীরুতার পরিচয় হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরোও বলেন, ‘আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।

মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে  জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভায় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি প্রতিরোধে শুধু জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার কিংবা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মাদক প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বাগেরহাটে মাদক প্রতিরোধে মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে মাদক নির্মূল ও প্রতিরোধে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।

প্রিন্ট করুন :