রাজশাহীর হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
ঘটনার সঙ্গে অন্যরা জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনার সময় নয়ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিষয়টি যাচাই করতে মেট কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।
এদিকে মেট কামরুল ইসলামের সঙ্গে কিরন আলীর দীর্ঘদিনের সখ্য রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কিরন ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন, তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেছেন কামরুল।
তিনি বলেন, সকালে ট্রেন স্টেশনে এলে পানি খাওয়ার জন্য প্রায় আধা ঘণ্টা বিরতি দেওয়া হয়। ওই সময় সবাই যার যার মতো সময় কাটান। কিরন তাঁকে কিছু না বলে কোথায় গিয়েছিলেন, তা তাঁর জানা নেই।
হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আরিফ হোসেন বলেন, ঢাকা মেল সিক্স ডাউন ট্রেনটি হরিয়ান স্টেশনে মাত্র তিন মিনিট দাঁড়ায়। একই সময়ে পাবনা থেকে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেন আসছিল। দুই ট্রেনের ক্রসিং নিয়ে তিনি ব্যস্ত ছিলেন। এ সময়ই তেল চুরির ঘটনা ঘটে।
আরিফ হোসেন বলেন, ট্রেনের তেল চুরি ঠেকানো ও নিরাপত্তার দায়িত্ব রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) এবং রেলওয়ে পুলিশের। এ বিষয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সরাসরি কিছু করার নেই।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আরএনবির চিফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম বলেন, তেল চুরির ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ফোর্স পাঠানো হয়েছিল। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ তারা দেখেছেন এবং এতে জড়িতদের শনাক্ত করা যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হবে। অভিযুক্তদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, তেল চুরির ভিডিও ফুটেজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রেলওয়ের ভেতরের কিংবা বাইরের যে কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকুক, তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম 




















