ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

‎দুমকীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ‎সংবাদ সম্মেলনে

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার ৫নং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরবয়ড়া এলাকায় অবস্থিত হনুফা নুর আলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্প্রতি দখল ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চরম সংকটে পড়েছে। বিদ্যালয়টির কার্যকরী পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম শনিবার(২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় দুমকি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেছেন।
‎
‎তিনি বলেন, ২০০৫ ও ২০০৯ সালে মোট ৩৪ শতাংশ জমি কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সালিশি রায় ও আদালতের আদেশে জমিটি বিদ্যালয়ের নামে স্বীকৃত হয় এবং ২০১৫ সালে বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডও সম্পন্ন হয়। তবে চলতি বছরের ১৭ জুন রাত ২টার দিকে স্থানীয় একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে প্রবেশ করে চারপাশের তারের বেড়া ও পিলার ভেঙে টিনশেড ঘর নির্মাণ শুরু করে।
‎
‎অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর একই পক্ষ বিদ্যালয়ের চেয়ার, টেবিল, ব্ল্যাকবোর্ড, ফ্যান, আলমারি, রেজিস্টার খাতা ও পরীক্ষার কাগজপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে এবং পরে বিদ্যালয় ভবনে অগ্নিসংযোগ করে। এতে গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্রসহ বেশ কিছু শিক্ষাসামগ্রী পুড়ে যায়।
‎
‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অতীতেও (২০১১ ও ২০১২ সালে) একই পক্ষ জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সংক্রান্ত একাধিক সালিশ, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদন এবং আদালতের কয়েকটি মামলার রায় বিদ্যালয়ের বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করেছে বলেও দাবি করা হয়।
‎
‎বিদ্যালয় কার্যকরী পরিষদের দাবি, অবিলম্বে বিদ্যালয়টি দখলমুক্ত করা এবং সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
‎
‎স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক সাউথ বাংলাকে বলেন, চরবয়ড়ায় এটি একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অচল হয়ে পড়লে তাদের সন্তানদের পড়াশোনার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
‎

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

‎দুমকীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ‎সংবাদ সম্মেলনে

Update Time : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার ৫নং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরবয়ড়া এলাকায় অবস্থিত হনুফা নুর আলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্প্রতি দখল ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চরম সংকটে পড়েছে। বিদ্যালয়টির কার্যকরী পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম শনিবার(২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় দুমকি প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলেছেন।
‎
‎তিনি বলেন, ২০০৫ ও ২০০৯ সালে মোট ৩৪ শতাংশ জমি কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সালিশি রায় ও আদালতের আদেশে জমিটি বিদ্যালয়ের নামে স্বীকৃত হয় এবং ২০১৫ সালে বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডও সম্পন্ন হয়। তবে চলতি বছরের ১৭ জুন রাত ২টার দিকে স্থানীয় একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাঠে প্রবেশ করে চারপাশের তারের বেড়া ও পিলার ভেঙে টিনশেড ঘর নির্মাণ শুরু করে।
‎
‎অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর একই পক্ষ বিদ্যালয়ের চেয়ার, টেবিল, ব্ল্যাকবোর্ড, ফ্যান, আলমারি, রেজিস্টার খাতা ও পরীক্ষার কাগজপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে এবং পরে বিদ্যালয় ভবনে অগ্নিসংযোগ করে। এতে গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্রসহ বেশ কিছু শিক্ষাসামগ্রী পুড়ে যায়।
‎
‎বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অতীতেও (২০১১ ও ২০১২ সালে) একই পক্ষ জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সংক্রান্ত একাধিক সালিশ, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদন এবং আদালতের কয়েকটি মামলার রায় বিদ্যালয়ের বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করেছে বলেও দাবি করা হয়।
‎
‎বিদ্যালয় কার্যকরী পরিষদের দাবি, অবিলম্বে বিদ্যালয়টি দখলমুক্ত করা এবং সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
‎
‎স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক সাউথ বাংলাকে বলেন, চরবয়ড়ায় এটি একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অচল হয়ে পড়লে তাদের সন্তানদের পড়াশোনার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
‎

প্রিন্ট করুন :