ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বরগুনায় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বরিশালে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান ও চারা বিতরণ  পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশ-মিছিল, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য প্রতিহতের ঘোষণা রিজভীকে পবিপ্রবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা দুমকীতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দেলোয়ার খান ‎ ‎ মহিপুরে আপন বোনসহ চার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ, লিটার প্রতি দাম বাড়ল ২০ টাকা পবিপ্রবির নেতৃত্বে জিএসটি ভর্তি পরীক্ষা, প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় পটুয়াখালীতে বাস-ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ৪

বিএনপিপন্থী শিক্ষকের পদত্যাগ’—মিথ্যা দাবি, তীব্র প্রতিবাদ পবিপ্রবি প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) প্রশাসন তীব্র ভাষায় নাকচ করল ‘বিএনপিপন্থী শিক্ষকের পদত্যাগ’ শিরোনামের খবর। ৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর” আখ্যা দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পাঠানো প্রতিবাদপত্রে অভিযোগ—সংবাদে উপস্থাপিত তথ্য বিকৃত, বাস্তবতার সঙ্গে বেমানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা।

প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. জিল্লুর রহমান ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত ৮ মে থাইল্যান্ডে যান। তার অনুপস্থিতিতে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ইকোনমিক্স-সোশিয়লজি বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে জিল্লুর রহমানের মৃত্যু হলে একই দায়িত্ব দুই বছরের জন্য অর্পিত হয় তার ওপর।

পবিপ্রবি প্রশাসনের দাবি—প্রফেসর সুজাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে সৎ, শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে জনপ্রিয়। তিনি ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ নানা গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে নির্যাতিতও হয়েছেন।

এদিকে, সংবাদে উল্লেখিত ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হয়েছেন, প্রফেসর পদে উন্নীত হওয়ার জন্য এখনও সময় বাকি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য—তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক নয়, নিয়মতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত মাত্র।

প্রশাসনের অভিযোগ—এ ধরনের সংবাদ শিক্ষক সমাজ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা, যা “অত্যন্ত দুঃখজনক”।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ব্র্যাকের ‘ভাসমান শিক্ষা তরী’ পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

বিএনপিপন্থী শিক্ষকের পদত্যাগ’—মিথ্যা দাবি, তীব্র প্রতিবাদ পবিপ্রবি প্রশাসনের

Update Time : ০৪:৫৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক ||

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) প্রশাসন তীব্র ভাষায় নাকচ করল ‘বিএনপিপন্থী শিক্ষকের পদত্যাগ’ শিরোনামের খবর। ৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর” আখ্যা দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পাঠানো প্রতিবাদপত্রে অভিযোগ—সংবাদে উপস্থাপিত তথ্য বিকৃত, বাস্তবতার সঙ্গে বেমানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা।

প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. জিল্লুর রহমান ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত ৮ মে থাইল্যান্ডে যান। তার অনুপস্থিতিতে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ইকোনমিক্স-সোশিয়লজি বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে জিল্লুর রহমানের মৃত্যু হলে একই দায়িত্ব দুই বছরের জন্য অর্পিত হয় তার ওপর।

পবিপ্রবি প্রশাসনের দাবি—প্রফেসর সুজাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে সৎ, শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে জনপ্রিয়। তিনি ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ নানা গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে নির্যাতিতও হয়েছেন।

এদিকে, সংবাদে উল্লেখিত ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হয়েছেন, প্রফেসর পদে উন্নীত হওয়ার জন্য এখনও সময় বাকি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য—তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক নয়, নিয়মতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত মাত্র।

প্রশাসনের অভিযোগ—এ ধরনের সংবাদ শিক্ষক সমাজ ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা, যা “অত্যন্ত দুঃখজনক”।

প্রিন্ট করুন :