ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

ইকোপার্ক উন্নয়নে ধোঁয়াশা: তথ্য গোপন ও কাজে অনিয়মের অভিযোগ

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে উন্নয়ন কাজ চলছে ‘লুকোচুরি’ভাবে। সৌন্দর্যবর্ধন, পর্যটন সুবিধা উন্নয়ন, ডাস্টবিন স্থাপন, চলাচলের রাস্তা ও নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণসহ একাধিক প্রকল্প চলমান থাকলেও এসব প্রকল্পের বরাদ্দ, সময়সীমা কিংবা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম জানার চেষ্টা করলেও মিলছে না তথ্য। সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন নানা অজুহাতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পার্কের পুরোনো অফিস ভবন সংস্কার, রাস্তা ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের মতো কাজ চলছে। তবে ব্যবহৃত ইট ও নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণকাজে কোথাও নেই ঠিকাদার বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি। এমনকি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকেও কাজ তদারকিতে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ সময় পর উপস্থিত হন পার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন। কাজের মান ও প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার কাছে দালিলিক কোনো তথ্য নেই। এসব জানতে পরিচালক বরাবর যোগাযোগ করতে হবে।”

পরে পরিচালকের দপ্তরে গিয়েও হতাশ হতে হয়। অফিস ফাঁকা, পরিচালক অনুপস্থিত। অফিস সহকারী ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তথ্য জানতে চাইলে বলেন, “পরিচালক ছাড়া কিছু বলা যাবে না, সব তথ্য তাঁর কম্পিউটারে সংরক্ষিত।” পরিচালককে ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এমন চিত্রে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের প্রশ্ন—কোটি টাকার সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকে, তাহলে সেটা কি জনগণের টাকায় দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করছে না?

তাঁদের দাবি, “সরকারি অর্থে পরিচালিত কোনো প্রকল্পের তথ্য গোপন রাখার সুযোগ নেই। স্বচ্ছতা না থাকলে উন্নয়ন কাজে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধ করা অসম্ভব।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

ইকোপার্ক উন্নয়নে ধোঁয়াশা: তথ্য গোপন ও কাজে অনিয়মের অভিযোগ

Update Time : ১০:০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে উন্নয়ন কাজ চলছে ‘লুকোচুরি’ভাবে। সৌন্দর্যবর্ধন, পর্যটন সুবিধা উন্নয়ন, ডাস্টবিন স্থাপন, চলাচলের রাস্তা ও নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণসহ একাধিক প্রকল্প চলমান থাকলেও এসব প্রকল্পের বরাদ্দ, সময়সীমা কিংবা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম জানার চেষ্টা করলেও মিলছে না তথ্য। সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন নানা অজুহাতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পার্কের পুরোনো অফিস ভবন সংস্কার, রাস্তা ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের মতো কাজ চলছে। তবে ব্যবহৃত ইট ও নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণকাজে কোথাও নেই ঠিকাদার বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি। এমনকি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তিকেও কাজ তদারকিতে দেখা যায়নি।

দীর্ঘ সময় পর উপস্থিত হন পার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন। কাজের মান ও প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার কাছে দালিলিক কোনো তথ্য নেই। এসব জানতে পরিচালক বরাবর যোগাযোগ করতে হবে।”

পরে পরিচালকের দপ্তরে গিয়েও হতাশ হতে হয়। অফিস ফাঁকা, পরিচালক অনুপস্থিত। অফিস সহকারী ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তথ্য জানতে চাইলে বলেন, “পরিচালক ছাড়া কিছু বলা যাবে না, সব তথ্য তাঁর কম্পিউটারে সংরক্ষিত।” পরিচালককে ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এমন চিত্রে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের প্রশ্ন—কোটি টাকার সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকে, তাহলে সেটা কি জনগণের টাকায় দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করছে না?

তাঁদের দাবি, “সরকারি অর্থে পরিচালিত কোনো প্রকল্পের তথ্য গোপন রাখার সুযোগ নেই। স্বচ্ছতা না থাকলে উন্নয়ন কাজে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধ করা অসম্ভব।”

প্রিন্ট করুন :