ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত গোয়াইনঘাট থানা সদরের প্রথম- ‘স্ট্রাইকার জোন ফুটসাল ইনডোরের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পাথরঘাটায় ২১ বছরের বিবাহিত আসামিকে চার্জশিটে ১৬ বছরের শিশু দেখানোর অভিযোগ গোয়াইনঘাটের চৌধুরী বিলে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ,ক্ষতির মুখে দুই মাছ চাষি আমতলীতে মকবুল খানের গনসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত আমতলীতে ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার,পলাতক জামাতা চুনারুঘাটে একাধিক মামলার আসামি জাহির-রাজু প্রকাশ্যে, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন বাকেরগঞ্জে নারী দিয়ে ‘মব’ ছাত্রদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ দুমকির গৃহবধূকে কুপিয়ে জখমের মামলায় প্রধান আসামি শাকিল ফকির আটক

আদালতে সাবেক আইনমন্ত্রীকে চড়-থাপ্পড়

আদালত প্রাঙ্গণে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে চড়-থাপ্পড় দিয়ে ধাওয়া করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা ও আইনজীবীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।

সোমবার(২৮ এপ্রিল) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুদ্দিন কাদিরের আদালতে তাকে হাজির করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালেও আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি সিদ্ধিরগঞ্জের মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ সোলাইমান (১৯) হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে দায়ের করা হয়েছে। ৫ আগস্ট শিমরাইল এলাকায় সোলাইমান গুলিবিদ্ধ হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এর পর ২২ আগস্ট সোলাইমানের ভগ্নিপতি শামীম কবির এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৫১ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার নাম রয়েছে।

মামলার শুনানি শেষে আনিসুল হক যখন আদালত premises ত্যাগ করছিলেন, তখন আইনজীবীদের একাংশ তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে ধাওয়া করে। পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় এবং পরে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, সোলাইমান হত্যা মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা মনে করছেন এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন। বিশেষত, আনিসুল হকের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অনেক আইনজীবী রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে দেশটির আইন-ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সাবেক আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও আদালত কর্তৃক রিমান্ড আদেশ এবং আইনজীবীদের আক্রমণ, দুইটি বিষয়ই বিচারিক ব্যবস্থায় নানা প্রশ্ন উঠিয়েছে। এর ফলে দেশটির রাজনৈতিক ও বিচারিক পটভূমিতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Riajul Islam

Popular Post
Classic Software Technology

দুমকিতে ইউপি হালটে কবরস্থানের দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ প্রকৌশলী পরিবার

আদালতে সাবেক আইনমন্ত্রীকে চড়-থাপ্পড়

Update Time : ০৭:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

আদালত প্রাঙ্গণে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে চড়-থাপ্পড় দিয়ে ধাওয়া করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা ও আইনজীবীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।

সোমবার(২৮ এপ্রিল) বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাইনুদ্দিন কাদিরের আদালতে তাকে হাজির করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালেও আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি সিদ্ধিরগঞ্জের মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ সোলাইমান (১৯) হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে দায়ের করা হয়েছে। ৫ আগস্ট শিমরাইল এলাকায় সোলাইমান গুলিবিদ্ধ হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এর পর ২২ আগস্ট সোলাইমানের ভগ্নিপতি শামীম কবির এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৫১ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার নাম রয়েছে।

মামলার শুনানি শেষে আনিসুল হক যখন আদালত premises ত্যাগ করছিলেন, তখন আইনজীবীদের একাংশ তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে ধাওয়া করে। পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায় এবং পরে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, সোলাইমান হত্যা মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা মনে করছেন এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন। বিশেষত, আনিসুল হকের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অনেক আইনজীবী রীতিমতো ক্ষুব্ধ।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে দেশটির আইন-ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। সাবেক আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও আদালত কর্তৃক রিমান্ড আদেশ এবং আইনজীবীদের আক্রমণ, দুইটি বিষয়ই বিচারিক ব্যবস্থায় নানা প্রশ্ন উঠিয়েছে। এর ফলে দেশটির রাজনৈতিক ও বিচারিক পটভূমিতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

প্রিন্ট করুন :