কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কবিরাজির নামে চিকিৎসার কথা বলে এক কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, ভিডিও ধারণ এবং পরে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মো. তাইজুল ইসলাম মুসাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার টিয়াখালী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ওই কিশোরী চিকিৎসার জন্য তাইজুল ইসলামের কাছে যান। তিনি নিজেকে বড় মাপের কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, চিকিৎসার আড়ালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন তাইজুল। এ সময় তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে সেসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে কিশোরীর পরিবার বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। একপর্যায়ে ধারণ করা ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলার পর থেকে পলাতক থাকা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলাপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার তাইজুল ইসলাম পটুয়াখালীর মহিপুর থানার মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আবদুর রাজ্জাক মোল্লা।
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম 













