অফিস ডেস্ক | South Bangla News
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল ও পোস্টার লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বরিশাল ক্যাম্পাসে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা এবং প্রক্টরিয়াল বডির পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীদের একাংশ।
গত ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘প্রত্যাবর্তন ২.০ লোডিং’ শিরোনামে একটি কর্মসূচির ভিডিও প্রকাশ করেন। তাতে ক্যাম্পাসে মিছিল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি-সংবলিত পোস্টার লাগানোর দৃশ্য দেখা যায়।
এ নিয়ে ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল নাহিদের অভিযোগ, ঘটনার ভিডিওসহ প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ প্রক্টর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যকে দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়। কিন্তু তার পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খানের বক্তব্য, ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ অক্টোবর। মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁদের শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব প্রক্টরকে দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থা নিতে কোনও বিলম্ব হয়ে থাকলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এমন কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না। এ ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
ঘটনার তারিখ, মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের সময়কাল নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের মধ্যে যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তার উত্তর এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীরা।
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম 















