আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলীতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের আঠারগাছিয়া গ্রামের মোঃ মামুন প্যাদা (৪০) অভিযোগে বলেন,
গত২৬ অক্টোবার একই গ্রামের মোঃ ইয়ামিন খান (৪৪) আমতলীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে দন্ড বিথি ১৪৩/৪৪৭/৪২৭/৩০৭/৫০৬ (।।)/১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
উক্ত মামলায় আমাকেসহ মোঃ জাহাঙ্গীর গাজী (৫০)মোঃ সুলতান হাং (৬০), মোঃ রুহুল আমিন গাজী (৪২), মোঃ সেকান্দার-হাং (৫৫), মোঃ নসু খাঁ (৪৫), মোঃ এনসান প্যাদা (৬০), মোঃ ইউসুফ প্যাদা (৫৫),মোঃ আলতাফ (৬১)মোঃ শাকিল (২৬) অপরিচিত ৮/৯ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
উক্ত মামলায় উল্লেখ করেন গত শনিবার দিবাগত রাত্র অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় হইতে ভোর রাত্র অনুমান ৩.৩০ ঘটিকার পর্যন্ত যে কোন সময়।বরগুনা জেলাধীন আমতলী থানার অন্তগত আঠারগাছিয়া ইউনিয়ণের আঠারগাছিয়া সাকিনের জে.এল ২০ নং মৌজার এস এ খতিয়ান নং ৯৪ যাহার দাগ ১১৯, উক্ত দাগের মধ্যে আমার রোপিত আমন ২৩ (ইরি) গর্ভো ধানের রোপা কিটনাশক প্রোয়গ করিয়া পুড়িয়া আসামীরা মামলায় বর্নিত ঘটনা ঘটায়।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
উক্ত ঘটনা সম্পর্কে মো. মামুন পেয়াদা বলেন মামলায় বর্নিত ঘটনা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা। আমাদের হয়রানী করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত জমি নিয়ে ইয়ামিন গংদের আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
উক্ত জমি নিয়ে মহামান্য আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে।ইয়ামিন গংরা আদালতের রায় অমান্য করে উক্ত জমি তারা জোর করে চাষাবাদ করেছেন।আমাদের হয়রানী করার জন্য একর পর এক মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। আমি এই মামলার তদন্ত পূর্বক বিচার চাই।
Reporter Name 













