
জেলেদের অভিযোগ, গত রোববার চাল বিতরণের সময় পরিবহনভাড়া বাবদ তাঁদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩০ টাকা করে নেওয়া হয়। টাকা দিতে না পারায় কয়েকজন জেলেকে চাল দেওয়া হয়নি।
সরকার ইলিশ সম্পদ রক্ষায় মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের মানবিক সহায়তা হিসেবে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল বরাদ্দ দিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের সাত শতাধিক জেলের জন্য ১৮ মেট্রিক টন চাল খাদ্যগুদাম থেকে ছাড় করিয়ে নেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রাজিবুল ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে, চাল বিতরণের সময় জেলেদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩০ টাকা করে আদায় করা হয়।
জেলে রাকিব ও সোহাগ অভিযোগ করেন, চাল নিতে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে চাল দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রাজিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
আমতলী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ‘প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘গুলিশাখালী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শুনেছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।