
উপজেলার পবিপ্রবির এম কেরামত আলী হল প্রাঙ্গণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছন ও পশ্চিম পাশ, কদমতলা কলেজ এলাকা, লেবুখালী আবাসন, উত্তর শ্রীরামপুর এবং পায়রা ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে কাশবন।
বিশেষ করে বিকেলের শেষভাগে কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে ছুটে আসছেন অনেকে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, আবার কেউ তৈরি করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনের কাশবনে মেয়েকে নিয়ে আসা ইয়ান্নার মা বলেন, “মানসিক শান্তি ও কাশফুলের শুভ্রতা উপভোগ করতেই এখানে এসেছি। প্রতিবছর এ সময়ে বিভিন্ন জায়গায় কাশফুল দেখতে যাই।”
পবিপ্রবির শিক্ষার্থী রহমাতুল্লাহ কাওসার বলেন, “বিভিন্ন উপজেলা থেকে মানুষ এখানে কাশফুল দেখতে আসেন। তবে কেউ কেউ ফুল ছিঁড়ে ফেলেন। এতে কাশবনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।”
কদমতলা কলেজ মাঠে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী তামিম, সজল, বৈশাখী ও তামান্না বলেন, “বইয়ে কাশফুলের কথা পড়েছি, এবার চোখের সামনে দেখলাম। সৌন্দর্যটি স্মৃতি হিসেবে রাখতে ছবি তুলেছি।”
কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সচেতনভাবে পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, ফুল না ছিঁড়ে ও আবর্জনা না ফেলে রাখলে শরতের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দীর্ঘদিন উপভোগ করা সম্ভব।