
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুনানি চলাকালে রুনু আক্তার (৩০) আসামির শাস্তি না চেয়ে তাকে বিয়ে করার দাবি করেন। এ সময় তিনি আদালতে হট্টগোল করেন এবং বিয়ের ব্যবস্থা না হলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি মো. আককাস সিকদার জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি শান্ত করতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক এবং উপস্থিত নারী পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি মো. আককাস সিকদার ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মল্লিক মুহা. নাসির উদ্দিন কবীর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
রুনু আক্তার ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আল-আমিনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় তার অভিযোগ, ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আল-আমিন তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, আল-আমিন পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার উত্তর মুরাদিয়া গ্রামের মো. ইউনুচ মোল্লার ছেলে। তিনি পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)।
২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলায় বাদীসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে রয়েছে।
মামলার বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে আল-আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তিনি মামলার আসামি হিসেবে বিচারাধীন রয়েছেন।