নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর দুমকীতে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নৈশপ্রহরী মো. কালাম সরদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় মো. রিমন রায়হান নামে একজনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ব্র্যাক এনজিও কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে থানায় করা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
কালাম সরদারের মেয়ে তানিয়া আক্তার দুমকী থানায় করা এজাহারে অভিযোগ করেন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর বাবার পথরোধ করেন রিমন রায়হান, কামরুল হাওলাদারসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজন। পূর্বের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে কালাম সরদারের মাথায় আঘাত করা হয়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে আবারও লোহার রড ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তিনি আহত হন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ সময় কালাম সরদারের কাছে থাকা একটি Infinix স্মার্টফোন, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এজাহারে মো. রিমন রায়হান (২০) ও কামরুল হাওলাদার (২৩)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, রিমন রায়হান বরিশালের বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম তাজউদ্দিন ইসলাম মামুন হাওলাদার এবং মায়ের নাম রিনা আক্তার সুমি।
অন্যদিকে কামরুল হাওলাদারের বাবার নাম খোকন হাওলাদার। তাঁর ঠিকানা বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের দিয়াতলী এলাকায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, “এ ঘটনায় তাঁর মেয়ে বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এক নম্বর আসামি রিমন রায়হানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।”