কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত সাংবাদিক কে এম বাচ্চু দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর কলাপাড়া (কুয়াকাটা) প্রতিনিধি এবং কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
আহতের ছোট ভাই সোহাগ খলিফা অভিযোগ করেন,পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ,৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার,স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত বায়জিদসহ কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন সাংবাদিক কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে বাচ্চুর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবদুল বাতেন জানান, আহত সাংবাদিকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুক।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।