দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত হয়ে পড়ে থাকা চুয়াডাঙ্গার একমাত্র মাথাভাঙ্গা নদীর কোমর বাধ ও কচুরিপানা অপসারনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ ৫ জুন সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে কোমর বাধ ও কচুরিপানা অপসারন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়। নদীকে অবমুক্ত করে নদীর চলমান ধারা অব্যহত রাখতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া একমাত্র মাথাভাঙ্গা নদীতে অবৈধ কোমর বাধ ও কচুরিপানা অপসারনের কাজ শুরু হয়েছে। অবৈধ কোমর বাধের কারনে জমে থাকা কচুরিপানায় ছেয়ে ছিলো মাথাভাঙ্গা নদীটি। নদী তার নিজের রুপে ফিরে আসবে এটা ভুলেই গিয়েছিলো স্থানীয় জনসাধারণ। তবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চুয়াডাঙ্গা ও জেলা প্রশাসকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শুর হলো কোমর বাধ ও কচুরিপানা অপসারন কার্যক্রম। কিছু অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নদীতে কোমর বাধ দিয়ে নদীর ভারসাম্য বিলুপ্ত করে আসছিলো। যাদের কারনে সাধারন মানুষ নদীর মাছ খাওয়া থেকে বঞ্চিত। এমন কি নদীতে গোসল করার মতো অবস্থা ও আর ছিলোনা। নদী অবমুক্ত হবে শুনে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ খুব খুশি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চুয়াডাঙ্গার আওয়োজনে আজ ৫ জুন সোমবার সকাল ১০ টার সময় উদ্ভদনের মাধ্যমে শুরু হয় এই অপসারনের কাজ। প্রায় ৫ কিলোমিটার এরিয়া জুড়ে নদীর অবৈধ কোমর বাদ অপসারনের কাজ শুরু হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা ব্রীজ থেকে পীরপুর ব্রীজ পর্যন্ত মাথাভাঙ্গা নদী হতে কোমর অপসারণ কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন করা হয়। উদ্ভদন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। উদ্ভদনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, আরিফ আহমেদ । এসময় তিনি মাথাভাঙ্গা নদী হতে কোমর ও কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন মাথাভাঙ্গা নদী চুয়াডাঙ্গাবাসীকে উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামিম ভুঁইয়া, চুয়াডাঙ্গা সদর; সহকারী ভূমি কমিশনার মাজহারুল ইসলাম , চুয়াডাঙ্গা সদর; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদিপ কুমারসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড, চুয়াডাঙ্গা দপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সে সময় উপস্থিত ছিলেন। এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চুয়াডাঙ্গার সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ ও সে সময় উপস্থিত ছিলেন।